in হযরত মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মাদ ফজলুল করীম (রহঃ)

চরমোনাই বাৎসরিক মাহফিলে উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম

◑ বয়ানঃ চরমোনাইর তিন দিনের মাহফিলে হযরত মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মাদ ফজলুল করীম (রহঃ) ৭টি বয়ান করতেন, যা ছিল হেদায়াতের আলোক বর্তিকা স্বরূপ।

◑ ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলনঃ মাহফিলের ২য় দিনে অনুষ্ঠিত হয় ওলামা-মাশায়েখ-বুদ্ধিজীবী সম্মেলন। এতে ওলামায়ে কেরাম জনতাকে রাজনৈতিক তথা সামগ্রিক জীবন পরিচালনার দিক নির্দেশনা দিয়ে থাকেন।

◑ ছাত্র ও সুধী সম্মেলনঃ মাহফিলের তৃতীয় দিনে ছাত্র সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। দেশের ছাত্র সমাজকে দিক নির্দেশনা দানের মাধ্যমে সঠিক পথের সন্ধান দিতে ছাত্র সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

◑ মাদ্রাসা শিক্ষা ও আমল প্রদর্শনীঃ এতে চরমোনাই আলিয়া ও কওমিয়া মাদ্রাসার ছাত্রদের শিক্ষা ও আমলের প্রদর্শনী হয়।

◑ আমলের পরীক্ষাঃ মাহফিলের তৃতীয় দিনে হযরত পীর সাহেব হুযূর (রহঃ) মুরীদানের আমলের পরীক্ষা নিতেন। যেমন- কারা তাকবীরে উলা অথবা জামায়াতের সহিত পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করেন, সুন্নাত পরিমাণ দাঁড়ি রাখেন, হালাল কামাই খান, নিজে পর্দা করেন- স্ত্রীকেও খাছ পর্দায় রাখেন, সুন্নাতী লেবাস পরিধান করেন, হামেশা মাথায় টুপি রাখেন, নিয়মিত মিছওয়াক করেন, কুলুখ ব্যবহার করেন, তরীকার পাঁচ ঔষধ ঠিক মত ব্যবহার করেন, পাগড়ী ব্যবহার করেন ইত্যাদি।

◑ তরীকার ছবক দেয়াঃ মাহফিলের শেষ দিনে আখেরী মুনাজাতের পূর্বে মুরীদদেরকে তরীকার ছবক দেয়া হয়ে থাকে।

Related Posts