in হযরত মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মাদ ফজলুল করীম (রহঃ)

আল্লাহ! ফজলুল করীম (রহ.) জান্নাতবাসী হয়েছেন, তাঁর রুহানি ফয়জ-বরকতে আমাদেরকে কলবকে নূরানি করে দিন।’

১৬ জুন ২০১৪ সোমবার হাটহাজারী এবি কমিউনিটি সেন্টারে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আয়োজিত ওলামা ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হল। অনুষ্ঠানে মুনাজাত পরিচালনা করেছেন চট্টগ্রামের একজন প্রখ্যাত আলেমে দীন, বুযুর্গ ব্যক্তিত্ব, প্রবীণ ওয়ায়েজ ও ঐতিহ্যবাহী ফটিকছড়ি রাবার বাগান মাদরাসার মুহতামিম, পীরে কামেল হযরত মাওলানা শাহ সিদ্দিক আহমদ সাহেব।

হযরত মাওলানা শাহ সিদ্দিক আহমদ একজন পীরে কামেল। চট্টগ্রাম অঞ্চলে তিনি একজন প্রখ্যাত সুফী ওয়াজে ও বুযুর্গ ব্যক্তিত্ব হিসবে সর্বজন মান্য, বরণীয় এবং গ্রহণযোগ্য। দীর্ঘদিন ধরে বৃহত্তর চট্টগ্রামে তিনি তাঁর ওয়াজ-নসীহতের মাধ্যমে লাখো পথভোলা মানুষকে আল্লাহর পথের পথিক বানিয়েছেন। তাঁর ওয়াজে আবেগের আগ্রহাতিশয্য দেখা যায়, যাকে তাসাওউফের পরিভাষার ওয়াজদ বলে। ওয়াজে তিনি নিজেও কেঁদে কেঁদে বুক ভাসান এবং সঙ্গে শ্রোত-দর্শক সকলকে খোদার ভয়ে কাঁদান।

এই মহান বুযুর্গের সাথে দেশের প্রায় সকল বুযুগানে দীনের হৃদয়ের সম্পর্ক রয়েছে। আকাবের বুযুর্গদেরও প্রায় বড় বড় ব্যক্তিত্বের তিনি সান্নিধ্য পেয়েছেন জীবনে। ব্যক্তিগতভাবে মুখলিস এই মহান বুযুর্গ চরমোনাইয়ের মরহুম পীর হযরত মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ ফজলুল করীম (রহ.)-এর সাথেও গভীর দীনী, আত্মিক ও রুহানি সম্পর্ক রাখতেন।

এই সূত্রেই মাওলানা সিদ্দিক আহমদ সাহেব পীর সাহেব হুজুর প্রতিষ্ঠিত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আয়োজিত ওলামা ও সুধী সমাবেশে আগ্রহ ও স্বউদ্যোগে অংশ নিয়েছিলেন। আর তাঁর মুনাজাতের মাধ্যমে সেদিনের ওলামা ও সুধী সমাবেশ সমাপ্ত হয়। তিনিও তাঁর স্বভাব অনুযায়ী উপস্থিত সকলকে কাঁদিয়েছেন এবং নিজেও কেঁদে কেঁদে বুক ভাসিয়েছেন।
তিনি তাঁর মুনাজাতে অত্যন্ত কাঁদো কাঁদো অবস্থায় আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করেছেন, ‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে আল্লাহ কবুল করুন। আল্লাহ! ফজলুল করীম (রহ.) জান্নাতবাসী হয়েছেন, তাঁর রুহানি ফয়জ-বরকতে আমাদেরকে কলবকে নূরানি করে দিন।’