in হযরত মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মাদ ফজলুল করীম (রহঃ)

কুরআন-হাদীছ-ইজমা-কিয়াস যারা মেনে চলে তারা ইসলামী মৌলবাদী, আর যারা এ সব মানেনা তারা কাফের- মুরতাদ।

কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন বাস্তবায়ন, আলী আসগর গংদের ফাঁসির দাবী, শিখা চিরন্তন, শেখ মুজিবর রহমানের কবরের মাটি ঢাকায় এনে মাজার তৈরি, ঢাকা শহরে মূর্তিস্থাপনসহ ইসলামবিরোধী সকল অপতৎপরতা বন্ধ এবং ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবীতে ইসলামী ঐক্যজোট আহুত ২২ আগষ্ট ১৯৯৭ মানিক মিয়া এভিনিউতে ইতিহাসের স্মরণ কালের মহাসমাবেশে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামা-মাশায়েখ বক্তব্য রাখেন।

সমাবেশে চরমোনাইর পীর সাহেব বলেন, ওলী-আউলিয়া পীর-মাশায়েখ ও ৯০ ভাগ মুসলমানের এদেশে ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে কেউ টিকে থাকতে পারবে না।

তিনি বলেন, ১৫ জুলাই ইসলামী ঐক্যজোটের আহ্বানে সফল হরতাল পালিত হওয়ার পর নাস্তিক মুরতাদদের গায়ে আগুন জ্বলে উঠেছে। বেশী জ্বলে উঠেছে কলমে। তারা আমাদেরকে মৌলবাদী বলে কটাক্ষ করে।

পীর সাহেব হুযূর বলেন, আমরা অবশ্যই ইসলামী মৌলবাদী। কুরআন-হাদীছ, ইজমা-কিয়াস যারা মেনে চলে তারা ইসলামী মৌলবাদী। আর যারা এসব মানে না তারা কাফের-মুরতাদ।

শিখা চিরন্তনের নামে অগ্নিপূজা ও শেখ মুজিবের কবরের মাটি সারা দেশে ঘুরিয়ে ঢাকায় মাজার স্থাপন এবং রাজধানীর মোড়ে মোড়ে ভাস্কর্যের নামে মূর্তি স্থাপনের সরকারী উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করে পীর সাহেব হুযূর বলেন, এসব হচ্ছে হিন্দু সংস্কৃতির অংশ। দেশের ইসলামী জনতা হিন্দু সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার সরকারী প্রচেষ্টা বরদাশত করবে না।

তিনি কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট বাস্তাবায়নের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এ রিপোর্ট বাস্তবায়িত হলে দেশে কোন আলিম ও মুসলামান থাকবে না।

Related Posts